Wednesday, July 27, 2016

তারপর ....( ২য় খন্ড)

তারপর ২! খন্ড


একটু পর আমি ওর বুক থেকে মাথা তুলে বললাম

: জানু একটু বাথরুম থেকে আসছি

: চল আমিও যাবো

: আমি আগে যাই

: উহু, একসাথে যাবো

: ছি, আমি তোমার সামনে করতে পারবো না

: কেন, তুমি না বলো যে তোমার লজ্জন নাই আমার কছে আর তুমি না বলেছিলা যে তোমার খালা আমাকর যে সব সখ পুরোন করেনি সেই সব সখ তুমি আমার পুরোন করে দিবা?

: কেনে, একসাথে মুতাও তোমার সখ নাকি?

: শুধু একসাথে মুতা নয়, এর ভেতর আরো ব্যাপার আছে আর তুমি না সব সময় তোমার বান্ধবিদের গাল দাও তোর মুখে মুতি বলে

: হুহ্, চলো

কি আর করা, আমি যখন বলেছি ওর সব শখ পুরোন করবো তখন করবোই বাধরুমে ঢুকে আমি মাটিতে বসতে গেলাম,, কারন ওখানে কমট, আর কমটে মুতা বা হাগার অভ্যাস আমার নাই বললো

: আরে মাটিতে বসছো কেনো, আসো

বলে কমটে বসলো বসার পর বললো

: আসো দুদিকে দুপা দিয়ে আমার কোলে বসো

: কিভাবে?

: আগায়ে আসো

বলে আমাকে টেনে নিলে কমটে সোজ সামনে দুপা দিয়ে বাড়াটা খাড়া করে বসে ছিলো আর আমাকে ওর দুপাশে দুপা ছরিয়ে এমন ভাবে বসালো যে আমার গুদটা ওর বাড়া আর বিচির মধ্যেখানে ঠেকলো আর ওর বাড়াটা লম্বালম্বি ভাবে আমার তলপেট থেকে নাভির দিকে খাড়া হয়ে পশে থাকলো

আমি হামতে হাসতে বললাম

: এভাবে আমি মুততে পারবো না

: দেখি  কতক্ষন চেপে রাখতে পারো

বলে ওআমার পিঠ পেচিয়ে ধরে রাখলো আর মাথা নামিয়ে আমার মাইএর বোটাটা জিব দিয়ে নাড়তে লাগলো

গোটা শরীরে কি হল, হিস হিস শব্দে আমার মুতা বের হয়ে আসলো, আর সেই সাথে ওর বাড়াও ছাড়তে শুরু করলো

আমার মুতে ওার বাড়ার নিচের অংশ আর বিচি ভিজতে লাগলো আর ওর মুতে আমার তলপেট ভিজে শেষে একসাথে দুজনার মুত নিচে কমটে পড়তে লাগলোযুজ

যখন মুতা শেষ হল, তখন হ্যান্ড স্প্রে দিয়ে দুজনার বাড়া গুদ পেট বিচি একসাথে ধুইয়ে দিলো

তার পর পাশ থেকে টিসু নিয়ে খুব যত্ন করে আমার গুদ গুদের ভেত মুছিয়ে দিলো  আমি দাড়িয়ে থাকলে আমার আমার গুদের পাতা জোড়া লেগে শাকে একটুও ফাক থাকে না।।  আমার দুপাতার ফাটলের উপর একটা চুমু দিয়ে এবললো

: এটা পৃথিবীর সব থেকে সুন্দর আর টেষ্টি রসের গুদ

তারপর দুজনা একসাথে এসে বিছানাতে শুলাম

, বালিশে মাথা দিয়ে শুলো  আমি ওর হাতের উপর মাথা দিয়ে  আমার মুখ ওর লোমশ বুকে, আমার ডান হাত দিয়ে ওর বাম নিপলের উপর আঙ্গুল দিয়ে নাড়ছি আমার ডান পা টা ওর গায়ের উপর এমন ভাবে রাখা যে ওর বাড়াটা আমার হাটুর ভাজের ভেতর ঢুকে গেছে

ওর বাড়াটা এখন নরম তুলতুলে ছোট হয়ে গেছে অত বড় মোটা বাড়াটা কিভাবে এতটুকু হল তাই আমার অবাক লাগছে  অবশ্য বলতো যে ওর বাড়া এভারেজে ছোট সেটা তখন বিস্বাস হতো না ( এখন করি, কারন এখন আর ২০ বছরের স্বামী তার ইন্চি লম্বা আর ." মোটা বাড়াটা দিয়ে যখন আমার গুদ নির্দয়ের মতো চুদে, তখন বুঝি যে বড় মোটা বাড়া কাকে বলে কত প্রকার কি কি! যাক সেটা পরের কথা )

আমি ওকে বললাম

: জানু, তোমার এই সুন্দর নরম ছোট্ট বাড়াটা কিভাবে অত বড় মোটা আর শক্ত হয়ে যায়?

তখন আমাকে  sex এবং সেক্স শরিরের কি কি পরিবর্তন কি ভাবে হয় এগুলা বুঝালো

শেষে বললো,

: এই নরম জিনিষ যখন কারো জন্য শক্ত হয় সেটা তার জন্য গর্বের বিষয়

: বুঝলাম না

: ধরোরাস্তাতে কেউ যদি তোমাকে তার লুঙ্গী তুলে তার খাড়া বাড়া দেখায়, বা ধরো তোমার ক্লাসের ছোড়াটা মামুন না কি যেন নাম যদি কোন সুযোগে তোমাকে জরিয়ে ধরে তোমার মাই টিপে দেয়, আর গুদ নেড়ে দেয়, তোমার গুদে কি বন্যা নামবে না তোমার মাইএর বোটা এরকম শক্ত হয়ে যাবে?

: ভেজা? কিজন্য ভিজবে নাড়লে? ছি!

: আর রাতে যখন শুয়ে আমার আদরের কথা মনে হয় তখন?

: তখনতখন তোমাকে খুন করে ফেলতে ইচ্ছা করে, মাঝে মধ্যে এত রস বের হয় আজকাল যে পায়জামা ভিজে যায়

: অথচ আমি তোমাকে ছুইও নি! তাইনা?

:হ্যা!

: এটা কি আমার জন্য গর্ব করার বিষয় নয়? যে একটা মেয়ের আমার কথা মনে হলেই গুদে বান নামে!

: হুহু

: তাহলে এটা কি তোমার গর্ব করার বিষয় নয় যে তোমার খালার সাথে এক খাটে শুয়ে, ওর শরির ইচ্ছা করলেই নাড়তে পারবো, তারপরও আমার বাড়া খাড়া হয় না, আর তোমার কথামনে হলেই এটা......

হটাৎ একটা কারনে আমার মন ক্ষারাপ হয়ে গেলো একবার ভাবলাম জিজ্ঞাসা করবো না তারপর না জিজ্ঞাসা করে থাকতে পারলাম না

: আচ্ছা খালাকে কয়দিন পরপর চুদো তুমি? খালা নাহয় তোমার বাড়া চুষে দেয় নাতুমি তো খালার গুদ চুষো নিশ্চয়! এটা তো তোমার খুব প্রিয় ব্যার খাবার! তাইনা?

আমার ওর কাছে লজ্জা নাই কিন্তু খুব কষ্ট নিয়ে বললাম

: আমার রস তো আজ জান ভরে খেলা কারটা খেতে ভাল? খালারটারবেশী ভাল তাইনাসত্যি কথা বলবা! বলতে বলতে আমি কেন যেনো কেদে ফেললাম

অবাক হয়ে বললো

: তুই জানিস না? তোর খালার গুদের স্বাদ কেমন সেটা তো পরের কথাতোর খালার গুদ দেখতে কেমন সেটা আজ বছর তার সাথে সংসার করেও বলতে পারবো না স্বাদ পেতে গেলে তো ওখানে মুখ নিতে হবে আজ পর্যন্ত তোর খালার গুদে হাত দিতে পারলাম না! হ্যা বকড়া ঢুকিয়েছি কিন্তু হাত দিয়ে ছোবার সৌভাগ্য হয় নি! তুই জানিস না আমি তাকে লিপ কিস করিনিনি তার সব কিছুতেই শুধু ঘিন্না আর প্রায় দুই বছর হল তার গুদে বাড়াও ঢুকাইনি তোর খালার কাছে সেক্স মানে কাপড় তুলো গুদে বাড়া ঢুকাও তারপর মাল ছেড়ে দাও, এবং সাথে সাথে গোসল করো আমার ওভাবে পোশায় না আমার কাছে দুষ্ট গরুর চেয়ে শূণ্য গোয়াল ভাল যখন মাথা খুব বেশি গরম হতো তখন হাত মেরে মাল আউট করতাম

: সেটা কি রকম?

: তোর গুদের ক্লিট আঙ্গুল দিয়ে নাড়লে যেমন একসময় তোর রস বের হয়, আমাদের বাড়া ওরকম নাড়তে থাকলে একসময় রস বের হয়ে যায় এই তিন মাস তুই মাথা ক্ষারাপ করে দেবার পর থেকে রোজ রাতে একবার করে হাত মারি আর সেদিন তোর গুদের ছবিটা পাবার পর সেরাতে চারবার হাত মেরেছি! তবে ছবিটা খুব অন্ধকার হয়েছে

শুনে খুশিতে আমার মন ভরে গেলো! বললাম আচ্ছা ভাল করে আলোতে একটা তুলে দেবো

ওর মাথার চুলে হাত বুলিয়ে দিলাম দিতে দিতে বললাম

: জান আমারজানু আমার তোমার সব কষ্ট দূর করে দেবো

: কিন্তু তোর যখন অন্য কারো সাথে বিয়ে হয়ে যাবে? তখন তো সব ভালবাসা তোর তাকে দিবি, মন শরীর সব তখন আর এই বুড়াকে কি ভাল লাগবে? তখন তোকে ছুতে গেলেই তো বলবি যে না না এখন আমি অন্যের  আমাকে ছুয়ো না

প্রচন্ড রাগ হল কথাটা শুনে সাথে দুচোখ ভেঙ্গে পানি নেমে এলো

আমি বললাম

: শুনো আমি যার ঘরেই যাই, আমি সব আগে তোমার বৌ, আছি সারাজীবন থাকবো আর আমার মন শুধু তোমার আর শরীরের উপর অধিকার সারাজীবরনই থাকবে তোমার যখনই সুযোগ পাবো আমার গুদ থাকবে তোমার মুখে আর তোমার বাড়া চুষে সব রস আমার পেটে

বলতে বলতে ওর বাড়াটা ধরলাম উঠে বসলো তারপর বললো

: আজ কি তোর গুদে আমার বাড়া ঢুকতে পারবে?

আমি নিচু হয়ে ওর খাড়া বাড়ার মাথাতে চেটে দিলাম জিব দিয়ে  দিয়ে বললাম

: কি বাবু? ঢুকবা আমার গুদে?

ওটা নড়ে আগুপিছু করলো

: এত মোটা আর বড় তুমি, আমার এটুকু ফুটাতে ঢুকদে পারবা? দেখো তোমাকে খাবার জন্য আমার গুদ কেমন খাবি খাচ্ছে!

  তখন আমাকে বললো,

: শোনএকটা কথা বলি আগে থেকে প্রথমে ঢুকানোর সময় একটু কিন্তু ব্যাথা পাবি রক্তও বের হতে পারে কিন্তু তারপর ঠিক হয়ে যাবে

আমি ওর বাড়াটা জিবদিয়ে গোটা চাটলাম তারপর বাড়ার মাথাতে যে ফাটলটা আছে ওটা আমার জিবের আগা দিয়ে নেরে মাধা তুলে বললাম

: আমি পারবো সহ্য করতে জান তুমি করো  আমি আর অপেক্ষা করতে পারছি না

বললো তাহলে তোকে রেডি করি বলে আমার মার গুদে আবার মুখ দিলো মুখ আর জিব দিয়ে যে কি করে আমি পাগল হয়ে যাই চোখে সরষে ফুল দেখি এভাবে কিছুক্ষ চুষতে আমি বললম

: আর কতোআমি আর পারছি না এবার ঢুকাও জানু

আমাকে চিৎ করে শওয়ালো তারপর আমার পাছার তলে একটা বালিশ দিয়ে আমার দুপায়ের হাটু ভেঙ্গে আমার পেটের উপর রাখলো ওর বাড়াতে থুতু লাগালো, তারপর আমার গুদের উপরের পাতার খাজে ওর বাড়ার মাথাটা ঘসতে লাগলো তারপর নিচ দিকে চাপ দিলো আমার মনে হলো গুদটা ফেটে গেলো ব্যাথাতে আমি উহরি মাআআআআ বলে উঠলাম সাথে সাথে বাড়াটা সরিয়ে নিয়ে বললো

: লাগলো সোনা?

: লাগুকতোমাকে বের করে নিতে কে বলেছে? ঢুকাও বলছি.!.!.

আবার আমার গুদটা একটু চেটে দিলো আসলে চেটে দিলো না বলে বলা উচিৎ আমার ক্লিটটাকে চুষে আমার নদীতে আবার বন্যা নামালো তারপর ওর বাড়ার মাথাটা আমার গুদের ফুটাতে ঠেকিয়ে একচাপ দিলো আমি মুখে কোন শব্দ করলাম না, তবে আমার মনে হলো যে এইসকাল ১১ টার সময় রাতের অন্ধকার দেখলাম