তারপর.......
এর দুদিন পর রাতে হটাৎ আব্বাকে ওর সাথে ফোনে কথা বলতে শুনলাম, যার সারমর্ম হলো, ও আব্বাকে রাজি করালো যে তার পরদিন ও আমাকে নিয়ে কোথাও যাবে মারাদিনের জন্য।
পরদিন সকালে ৭ টার দিকে ও এসে বললো যে
:সোহাগী, রেডি হ তো, তোকে নিয়ে এক জায়গাতে বেড়াতে যাবো।"
আমার কোন কথা বলার সাহস। হলো না। কারন, বাইরে আব্বা ছিলো।
আমি রেডি হতে যাবো, তখন ও ঘরে ঢুকে আস্তে করে বললো
:
লাল, পাখী জামাটা পরিস।
আমি বললাম
"হ্যা, হ্যা"
এর পর ৮ টার দিকে ওর মোটরসাইকেলে করে রওনা দিলাম। তারপর আমি বললাম
: কোথায়
যাচ্ছি
আমরা?
:
আজ এক বন্ধুর বাসা খালি পেয়েছি, আজ সারাদিন তোকে ওর বাসাতে আদর করবো।"
: " ইস,
আদর করতে
দিলে তো!"
: " আদর
পাবার
জন্য তো
পাগলী
হয়ে আছে,
আবার কত
বড় বড়
কথা। কি
কি করবো
জানসি?
আজ আমি
তোকে পুরো
নেংটা
করবো।
করে জান
ভরে তোকে
দেখবো,
তোর গোটা
শরীর চাটবো,
চুমু খাবো,
তোর মাইএর
বোটাতে
কামড় দিবো,
চুযে দুধ
খাবো, তোর
গুদ চাটবো,
গুদের
ভেতর জিব
ঢুকয়ে
দেবো, তোর
ক্লিটটা
চুষবো,
তারপর
তোর যখন
অর্গাজম
হবে তখন
যে গল
গল করে
রস বের
হবে, সেটা
চুষে চেটে
খাবো।
: ইস,
কে দিচ্ছে
তোমাকে,
আমি কিচ্ছু
দিবো না।
: আমার
বাড়াটা
চুষে দিবি
না?
: সেটা
চিন্তা
করে দেখবো।
দিবোনা বলছি আর ও কি করবে সেটা কল্পনা করে আমার গুদ অলরেডি ভিজে জ্যাব জ্যাব করছে।
ও বললো
: আর
যদি তোর
গুড রেডি
হয় তো
আজ তোর
ইচ্ছা
পুরোন
করবো, আমার
বাড়া তোর
গুদের
ভেতর ঢুকাবো।
তোকে আজ
চুদবো।
: কে
বললো আমার
ইচ্ছা
তোমার
বাড়া আমার
গুদে ঢুকানো?
: ইচ্চা
নাই? সত্যি
বল? আমাকে
কিন্তু
ছুয়ে আছিস।
: তোমার
বাড়া!
বলে আমি যে হাতে ওর কোমর প্যাচিয়ে ধরে ছিলাম, সে হাতটা নামিয়ে ওর প্যান্টের উপর দিয়ে ওর বাড়াতে হাত দিলাম। দেখি লোহার ডান্ডা হয়ে আছে।
: ইস,
আমার গুদে
ঢুকবার
জন্য এখন
থেকেই
আমার বাুবু
সোনা শক্ত
হয়ে বসে
আছে।
: আমি
গ্যারান্টি
দিয়ে বলতে
পারিযে
আমার বাড়া
টা গিলে
খাবার
জন্য তোর
গুদও ভিজে
বন্যা
বইছে।
: বইছেই
তো। আচ্ছা
তোমার
বন্ধুর
বাসাতে
কেউ থাকবে
না? গোটা
বাসা আমাদের?
: আসলে
ওটা ওদের
আম বাগানের
সাথে একটা
ছোট্ট
বাসা।
ও বাগান
দেখতে
আসলে ওখানে
থাকে।
একটা ঘর
আর বাথরুম।
গতকাল
ও চলে
গেছে।
যাবার
সময় আমাকে
চাবিটা
দিয়ে গেছে।
: কি
মজা। আজ
সারদিন
থাকবো
কিন্তু।
আর একটা
কথা।.....
: কি?
: ঐ
বাসায়
ঢুকার
পর থেকে
বের হবার
আগ পর্যন্ত
কারো গায়ে
কোন কাপড়
থাকবে
না। ঠিক
আছে?
: আরে,
শালা এটা
আমি কি
বানিয়েছি!
এ যে
যেকোন
ছেলে কেও
হার মানায়!
লজ্জা
সরম বলতে
কিছু নাই!!!!!
: শুনো, তোমার
কাছে আমার
লজ্জা
সরম নাই।
একটুও
নাই। তুমি
জানো আমার
সব সময়
মাথাতে
তুমি ঘুরো।
আমাকে
আদর করো।
চোখ বন্ধ
করলেই
তোমার
বাড়াটা
দেখতে
পাই, তোমার
হাতের
ছোয়া আমার
বুকে গুদে
অনুভব
করি। আমার
গুদ ভিজে
যায়। এযে
কি কষ্ট
সেটা তুমি
বুঝবা
না। খালা
আসলেই
বিরাট
লস করলো।
আর আমি
সেজন্য
লাভ করলাম।
জানো তোমার
বাড়াটা
মুখে নিতে
আমার একটুও
খারাপ
লাগেনি।
তোমার
দেওয়া
ভিডিও
গুলা দেখে
ভালমতো
শিখেরেছিলাম
যে ওরা
কিভাবে
চুষে।
তাবে তোমার
মাল মুখে
নিতে কেমন
লাগবে
বা তোমার
মালের
স্বাদ
ক্ষারাপ
লাগবে
বলে সন্দেহ
ছিলো আমার। কিন্মু
আশ্চয্য,
আমার একটু
খারাপ
লাগেনি।
বরং তার
পর থেকে
ওটার খুদা
লেগে আছে
আমার।
: তোর
গুদের
রস খাবার
জন্য আমারও
পিপাশাতে
গলা শুকিয়ে
আছে
এর মধ্যে আমরা আমাদের গন্তব্যে এসে গেলাম। বাগানের অনেক ভেতরে বাসাটা। আসেপাশে কোন লোকালয় নাই। আমার খুব পছন্দ হল।
ঘুরে ঢুকে দারজা লাগাতেই আমি বললাম যে
:
আমি একটু বাথরুম যাবো আগে।
: ঐ
যে দরজা।
বাথরুমে ঢুকে আগে একটু পেশাব করে নিলাম। তারপর ভালভাবে সাবান দিয়ে গুদটা ধুয়ে নিলাম। ওখানে দেখি সাবান শ্যাম্পু কন্ডিশনার সবই আছে। তারপর জামা পায়জামা সব খুলে পুরা নেংটা হলমা। ভাবছি, এভাবে বের হতে দেখে ও কি করবে?
দরজাটা খুলে মাথা বের করে দেখি ও পুরা নেংটা হয়ে বিছানাতে হেলান দিয়ে বসে আছে। আমাকে
দরজা খুলতে দেখেই ও উঠে দাড়ালো। আর আমি এক দৌড় দিয়ে যেয়ে ওর কোলে উঠে গেলাম। দুহাতে ওর গলা জরিয়ে ধরলাম। আর দু পা দিয়ে ওর কোমর। তারপর ওর ঠোটটা চুষতে শুরু করলাম। ও আমাকে নিয়ে ঘুরে খাটের কাছে গেল। কিন্তু ওভাবে দাড়িয়েই চুমু খেতে থাকলো। আমি আমার পাছাতে ওর ওর বাড়ার গুতা অনুভব করতে পারলাম। ও বললো
: সোনা,
তোমার
গুদের
রস আমার
পেটে লাগছে।
: তোমার
বাড়াও
আমার পাছার
নিচে গুতা
দিচ্ছে।
এবার আমাকে
নামাও
বিছানাতে।
কয়েকপা
কথা বলবো।
একটা হিসাব
সমান করবো।
আমাকে বিছানাতে শুয়ালো। কিন্তু আমি উঠে বসলাম। ও বললো
: কি
হিসাব
সোনা?
: সেদিন
তোমার
বাড়া চুষে
দিয়ছি।
আমাকে
ফাকা রেখেছিলা।
এখন সেটা
শোধ করো।
: যো
হুকুম
আপকা!
বলে ও
আবার আমাকে
শুয়াতে
গেল। আমি
বাধা দিয়ে
বললাম।
: উ
হু, আমি
যেভাবে
বলবো সেভাব।
আগে তুমি
খাটে উটে
এখানে
বালিশে
মাথা দিয়ে
শোও।
: তোমার
গুদ চুষবো
না?
: চুষবা, তবে
আমি যেভাবে
বলছি সেভাবে।
বলে ওকে খাটের যেদিকে দেওয়াল সেদিকে বালিশ দিয়ে ওর মাথা দিয়ে শুয়ালাম। ঐ ভিডিওগুলার একটাতে একটা মেয়ে ছেলেটার। ুখের উপর বসে তার গুদ চুষিয়েছিলো। ওটা দেখে তখন থেকে আমার ওভাবে গুদ চুষাবার ইচ্ছা ছিলো। বাসাতে সম্ভবনা বলে আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। আজ রাস্তাতে আসবার সময় থেকেই ওটা কল্পনা করছি।
ও বললো
: এবার?
:এবার তোমার মুখে তোমার প্রিয় খাবার দেয়া হচ্ছে...
বলতে বলতে আমি ওর মাথার একপাশে আমার এক হাটু রেখে অন্য পাশে অন্য হাটু রাখলাম। ওর
চোখ থেকে ৬ ইনচি দুরে আমার গুদ, আমি ওর মুখের সামনে গুদটা দুলাতে দুলাতে বললা
: কি
দেখতে
পাচ্ছো?
তোমার
কোন প্রিয়
জিনিষ
দেখতে
পাচ্ছ?
ও দুহাতে আমার আমার কোমর ধরে ওর মুখের উপর আমার গুদটা নামিয়ে আনলো। আর আর আমার গুদের পাতার উপর চুমু দিলো। তারপর গুদের ডানপাশে, ফাটলের উপরে, বামপাশে। আমার গুদ থেকে রস চুইয়ে বের হচ্ছে আমি বুঝতে পারছি। আমার গুদের ফাটল যেখানে শেষ সেখানে ওর জিবটা দিয়ে নীচ থেকে উপর পর্যন্ত আস্তে আস্তে টান দিলো একটা। আমার গোটা শরীরে মনে হল কারেন্ট বয়ে গেলো।তারপর আমার দুই পাছা ওর দুহাতে খামচে ধরলো। আর আমার ক্লিটটা চুষতে শুরে করলো। আমি নিজের অজান্তে চিৎকার দিয়ে বলতে লাগলাম
:
উউউউহ জানু আমার। কি করছো তুমি। আমার যে মরে যাচ্ছি সুখে........চুষো জানু .!..!হ্যা জনু আমার, চাটো আমার গুদ, কামড়ে খাও, চুষো, চাটো, হ্যা হ্যা এভাবে চাটো, আহ, কি মজা গো,..!. তোমার
বৌ এর গুদ চুষো....আমি তোমার প্রিয় রস জমিয়ে রেখেছি তোমার জন্য...ওওওওোওহ আআআআআআ ..মরে
যা---চ----ছি----আ----মি.!
ওর দুহাত ধরে আমার পাছা থেকে তুলে আমার দুই বুকে বসালাম। বাকীটা আর বলতে হল না ওকে। আমার
দুই দুধ দুহাতে টিপতে লাগলো। দুধের বোটা দু আঙ্গুলে মুচরাতে লাগলো, আর
গুদে তো ওর জিবে খেলা চলছেই...!.
হটাৎ গোটা শরীর আমার অবশ হয়ে গেলো। কি অনুভুতি সেটা ভাষাতে প্রকাশ করার ভাষা আমার জানা নাই। আমি যেন জ্ঞান হারালাম। যখন একটু হুস হল তখন দেখলাম আমি ওর বুকের উপর শুয়ে আছি। মাথা তুলে ওর দিকে তাকালাম। ও বললো
:
হিসাব সমান?
আমি ওর বুকে একটা কামড় দিলাম। আর মনে মনে বললাম যে হিসাবে অনেক বেশী পেলাম।
(
চলবে.............)
No comments:
Post a Comment