আমার যৌন জীবন
আমার তখন কেবল বুকটা উচু হতে শুরু করেছে। গুদের উপর হালকা বাল বের হচ্ছে কেবল। এটা সেই সময়ের কথা
আমার খালু আমাকে খুব ভাল বাসতো। খুবই আদর করতো। আমি তাকে খুব ভাল বাসতাম। আর মাঝেমধ্যে মনে হত যে সে কেন আমার খালু হল! খালু না হয়ে সে যদি আমার স্বামি হত তাহলে আমাকে সে আরো অনেক ভালবাসতো। আমার খালা তার সাথে খুব খারাপ ব্যাবহার করে। আমি তারর বৌ হলে তাকে সব সময় আদর করতাম, বুকে জরিয়ে রাখতাম।
সে আমার সাথে খুব ফ্রি ছিল। আমার সাথে খুব ইয়ার্কি করতো। মাঝে মধ্যে যখন খালা যখন খুব খারাপ ব্যাবহার করতো তার সাথে, সে আমাকে মন খারাপ করে বলতো, শোন, তোর স্বামির সাথে কখনো খারাপ ব্যাবহার করবি না।
আমার খালু আমাকে খুব ভাল বাসতো। খুবই আদর করতো। আমি তাকে খুব ভাল বাসতাম। আর মাঝেমধ্যে মনে হত যে সে কেন আমার খালু হল! খালু না হয়ে সে যদি আমার স্বামি হত তাহলে আমাকে সে আরো অনেক ভালবাসতো। আমার খালা তার সাথে খুব খারাপ ব্যাবহার করে। আমি তারর বৌ হলে তাকে সব সময় আদর করতাম, বুকে জরিয়ে রাখতাম।
সে আমার সাথে খুব ফ্রি ছিল। আমার সাথে খুব ইয়ার্কি করতো। মাঝে মধ্যে যখন খালা যখন খুব খারাপ ব্যাবহার করতো তার সাথে, সে আমাকে মন খারাপ করে বলতো, শোন, তোর স্বামির সাথে কখনো খারাপ ব্যাবহার করবি না।
আমার একদিন কি মনে হল, তার জন্য খুব কষ্ট লাগতো, আমি, ঝুপ করে তাকে জরিয়ে ধরে তার ঠোটে একটা চুমু দিয়ে, তার উপরের ঠোটটা একটু চুষে দিয়ে এক দৌরে বাইরে পালিয়ে গেলাম।তাকে ঠোটে চুমু খেতে দেয় না, আর এ জন্য তার একটা বিরাট দুক্ষ আছে। সে মাঝে মধ্যে আব্বার সাথে এই ব্যাপার গুলা নিয়ে আলোচনা করতো সেটা আমি শুনেছিলাম। আর আমি এও শুনেছিলাম যে খালার সথে এসব নিয়ে তার ঝগডা হয় এবং খালার সাথে অনেক দিন যাবত তার শরীররে সর্ম্পক নাই। যদিও তথন আমি পুরাপুরি এগুলা বুঝতাম না। উনি চলে যাবার আগ পর্যন্ত আমি আর বাসায় ফিরলাম না। পরদিন যখন উনার সাথে দেখা হয়, উনি খুব গম্ভীর ভাবে আমাকে বললেন ” কাল ওটা তুই কি করলি?”
আমি কোন উত্তর খুজে পেলাম না। আমার চোখ দিয়ে পানি বের হয়ে আসলো। আমি অনেক কষ্টে চোখের পানি চেপে বললাম :” আমি আপনাকে খালু ভাবতে পারি না। আমি জানি যে আমি আপনাকে কোনদিন স্বামী হিসাবে পাবো না। কিন্তু আমি আপনাকে আমার স্বামী ছাড়া অন্য কিছু ভাবতে পারি না। আমি কি করবো? আমি আপনাকে খুব ভালবাসি। এটুকু বলতে বলতে আমি আর চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না। এক দৌড়ে বাইরে চলে গেলাম ঘর থেকে।
রাতের বেলা হোয়াটস এ্যাপে তাকে একটা মেসেজ পাঠালাম,
” আমি সামাজিক ভাবে নয়, তবে আপনার মনের ভেতর আপনার বৌ হয়ে থাকতে চাই যেভাবে আমি আপনাকে মনে মনে স্বামি মানি, আর খালার কাছে আপনার যে সব অপূর্ণ সখ আছে সেগুলা আপনার ছোট-বৌ হয়ে পূরণ করে দিতে চাই!”
মেসেজ টা পাঠিয়ে ভয়ে মোবাইল বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়লাম।
সকালে ঘুম থেকে উঠে মোবাইল চালু করে নেট চালু করতে উনার একটা মেসেজ পেলাম। মেসেজটা এরকম:
” দেখ, তুই সম্পর্কে আমার মেয়ের মতো, এটা সম্ভব না। এটা ঠিক যে আমরা খুব ফ্রি। কিন্তু তাই বলে তুই যা চাস সেটা সম্ভব নয়। আর সত্যি কথা কি জানিস? তোর খালা যে গ্রামের, সে মানুষিকতাতে বড় হয়েছে তুই ও তাই ই। তার তোর খালা আমার যে শখ পুরন করতে পারে না সেটা তুইও পারবি না। ”
আমার প্রচন্ড রাগ হল মেসেজটা পড়ে। আমি লিখলাম ” আপনি আপনার সখগুলা লিখে পাঠান আমি পুরন না করতে পারি জানতে তো অসুবিধা নাই?” আর মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলাম যে তার সব শখ পুরন করেই ছাড়বো যদি সে জানায়।
সেদিন রাতে হো এপ এ তার একটা মেসেজ পেলাম
” জানিনা ভুল করলাম কিনা, তোর জীবনটা কি নষ্ট করে দেবো কিনা আল্লাই জানে!”
আমি লিখলাম ” আমার শরিরে হাত দিয়ে কি আপনার মনে হচ্ছিলো যে আপনি ভুল করছেন? আমার মনে হয়নি। আর শরা যা করছি, তা জেনে শুনে এবং এর ভবিয্যৎ কি বা একদিন আমাকে অন্যের হয়ে যেতে হবে এটা জেনে শুনেই আমরা আগাচ্ছি। তবে একটা কথা মনে রাখবেন, আমি যার ঘরেই যাই, আপনাকে জীবনে প্রথম স্বামী মেনেছি, সারা জীবন মানবো আর আমার শরিরের উপর আপনার অধিকার সারা জীবনই থাকবে।”
উনি উত্তরে লিখলেন
” তোর কথা শুনে তোকে অনেক বড় মানুষ মনে হচ্ছে। একেবারে বুড়ি। আচ্ছা, শরিরের সম্পর্ক সমনধে কত টুকু কি জানিস তুই?”
আমি ললিখলাম “সব জানি। আব্বা আর মা রোজ রাতে কি করে সেটা এঘর থেকে ঠিকই বুঝতে পারি আমি। আচ্ছা আপনার বড় বৌ কে আপনি করেন না তাইনা? কেন? আর আপনার কি কি শখ সে পুরোন করে না সেটা কিন্তু বলেন নি। বলবেন??”
উত্তর এলো অনেক্ষন পর। লিখলেন
” দেখ তোকে সব বলবো, আসলে তোকে সব শেখাবো। তবে প্রথম কথা কি জানিস, সেক্সে লজ্জা বা ঘিন্না বলে কোন কিছু থাকতে নেই। তোর স্বামি কে ভালবাসবি যখন তখন তার শরিরের সব কিছুকে ভালবাসবি। আর তার কাছে লজ্জা রাখা যাবে না। ”
আমি লিখলাম ” আমার কাছে আপনি আমার সামী আর আপনার কাছে আমার কোন লজ্জা নেই। আর আপনার শরিরকে আমি ঘিন্না করতে যাবো কোন দুক্ষে?”
উনি লিখলেন ” আমি যদি তোকে বলি আমার সামনে পুরা নেঙটা হয়ে দাড়াতে বা এক ঘরে আমার সাথে নেঙটা হয়ে থাকতে, পারবি? ”
আমি লিখলাম ” একটু হয়তো অস্সথি লাগবে, তবে পারবো। আর?”
” তুই সে দিন আমার ঠোটে চুমু দিয়েছিলি। আচ্ছা কাল তোর মোবাইলে একটা ভিডিও দিবো ওখানে যা যা দেখাবে তার সব কিছু করতে হবে। এটাই শরিরের ভালবাসা। ”
” জানিনা কি দিবেন, তবে আমি আপনাকে কথা দিচ্ছি ওখানে যা থাকবে তার সব কিছু আপনি আমার কাছ থেকে পাবেন। ”
” সোনামনি, তুই এটা জেদ করে বলছিস। কিন্তু আমি চাই ওগুলো তুই মন থেকে, ভালবেসে করবি। জেদ করে নয়। ” জোর করে তো ওগুলো আমি তোর খালার কাছ থেকেও পেতে পারি। কিন্তু আমি চাইতাম ওগুলো সে মন থেকে করুক। সেখানেই সমস্যা। ”
” আচ্ছা আগে দিয়েন তো,। কাল মাদরাসা যাবো না। সকালে আসবেন। আর এখন ঘুমাবো। টাটা।”
” টাটা”
পরদিন সকালে উনি ৮ টার সময় আসলেন। আমি সকাল ৬ টা থেকে উঠে অপেক্ষা করে বসে আছি। আসতেই উনি বললেন ” কি রে মাদরাসা যাসনি? ” মা বললো ” দেখো না, যাচ্ছে না। আজ নাকি কি পড়া আছে সেটা করেনি তাই যাবে না।”
উনি বললেন ” ঠিক আছে আজ তাহলে আমার কাছে স্ক্ুল। আর দিদি, তুমি একবারও মেয়েকে কোন কাজে ডাকবা না। নাহ, আজ তুমি ঘরেই ঢুকবানা। স্কুল না যাওয়া ওর বের করছি আমি। আজ এখন থেকে পুরা বিকাল পর্যন্ত আমার কাছে পড়া। দিদি দুপুরে আজ এখানে খাবো। ”
আব্বা বললো ” তোমার সাথে একটু কথা ছিলো। কিন্তু তোমার কাহিনি দেখে বুঝছি যে আজ হবে না। আমি জমিতে গেলাম।” বলে আব্বা বাইরে চলে গেলো।
আমি ঘরে ঢুকলাম, উনি আমার পেছন পেছন। ঘরে ঢুকে আমি বললাম, ” ভালই তো নাটক করতে পারেন।”
আমাকে হাসতে হাসতে বললো ” বা রে, আজ আমি আমার বৌ কে কাছে বসিয়ে আদর করবো তো সেটা কি তোর বাপ মার সামনে করবো? আর তোর মোবাইলটা দিস। ভিডিও টা দিবো, তুই সাউন্ড বন্ধ করে আমার সামনে দেখবি? লজ্জা করবে না তো?” বলতে বলতে উনি আমাকে পড়ড়ানোর সময় বিছানাতে যেভাবে শোন টেবিলের পাশে ওভাবে শুলেন আর, আমি উনার পাশে টেবিলের সাথে বিছানাতে বসলাম। বসে মোবাইলটা দিয়ে উনার দিকে তাকাতেই উনি বললেন
” ইঙরেজি গাইড বের করে যে কোন কিছু লিখতে থাকো, কেউ যদি বাইচান্স ঢুকে তাহলে দেখবে যে তোমাকে পড়াচ্ছি। আর ভিডিওটা দিলে নিচে ধরে দেখবা। হাত কলম সহ খাতাতে থাকবে।”
আমি উনার কথামত কাজ করতে থাকাম। একটু পর উনাকে বাধ্য হয়ে বললাম ” আমি ব্রা পরে নাই। ”
উনি আমার হাতে মোবাইল টা দিয়ে একটা হাত আমার জামার কোমরের ফাড়ার ফাক দিয়ে ঢুকিয়ে দিলেন। আমি একটু চেপে বসলাম। আজ যখর উনার হাত আমার বুকে এলো আজ যেনো আরো অন্য রকম লাগলো, আমার গোটা শরির ঝিমঝিম করতে লাগলো। নিজের অজান্তে আমার চোখ বন্ধ হয়ে গেলো। আমার জামাটা একটু ঢিলা করে বানানো। সেদিনের কিনে দেয়া জামা। যথারিতি উপরে ওরনা জরানো আছে। হটাৎ যদি ঘরে মা চলেও আসে তো বুঝতে পারবে না। আমি ভিডিওটা চালাতে গেলাম। উনি একটু পর চালাতে বললেন। এদিকে আমার গোটা শরীরে একটা অসম্ভব ভাল লাগার স্রোত বইছে। কিন্তু তারপরও কেন যেন কোথায় এককটা অসস্থিকর অভাব অনুভব হচ্ছে। মনে হচ্ছে কিছু একটা নেই এই ভাল লাগার ভেতর। একটা অভাব।
উনি হটাৎএকটু উঠে বসলেন। তারপর আমার কানের কাছে মুখ নিয়ে বললেন। “এখন একটা পরিক্ষা নেব তোর।” আমি বললাম কিসের পরীক্ষা?”
” তোর যে আমার কাছে কোন লজ্জা নেই তার পরিক্ষা। প্রথমে মুখের লজ্জা কাটাতে হবে। পারবি?” আমি মেজাজ দেখিয়ে চোখ বড় বড় করে করে বললাম ” সন্দেহ আছে?”
” ওকে, টেষ্ট শুরু। আমি এখন তোর দুধ টিপছি। কি টিপছি?” বুঝলাম আমাকে বলতে হবে। জানিনা কেনো, আমার একটুও লজ্জা লাগলো না। এবঙ তাকে জিবরে প্রথম তুমি করে বললাম। ” তুমি আমার দুধ টিপছো, আর আমার তা খুব ভাল লাগছে। চলবে?” উনি চোখ বড় বড় করে বললেন। ” ভেরি গুড এবঙ তুমি বলার জন্য ধন্যবাদ।” আমি বললাম ” কিন্তু আমার যে আরো একটা দুধ এই পারে আছে সে যে আর অবহেলা সহ্য করতে পারছে না।” উনি হাসতে হাসতে হাতটা আরেকটু ঢুকিয়ে ওপাশের দুধটাকে আদর করতে করতে বললেন ” নাহ তোমাকে দিয়ে মনে হচ্ছে হবে। ” বুঝলাম ও আমাকে তুমি করে বলছে।
তারপর আমারগলার পেছনে হালকা করে একটা চুমু দিলো। আমার গোটা শরির কেপে উঠলো। ও একটু হেসে বললো ” আর তোমার ভাল লাগার সাথে যে সমস্যাটা হচ্ছে সেটা হল তুমি বুঝতে পারছো কিনা জানিনা, তোমার দুপায়ের ফাকে যে ফাটল টা আছে, ওখানে তোমার মনে মনে হচ্ছে হাজার টা পিপড়া কামড়াচ্ছে। আর ওটাকে খাস বাঙলায় বলা হয় গুদ। কি বলে?”
আমি বললাম ” গুদ।” এবঙ বুঝলাম যে সত্যিই ওখানেই সমস্যাটা হচ্ছে। ও প্রতিটা শব্দ বলছে আর আমার গলার পেছন আর ঘারে চুমু দিচ্ছে। আমার আমার যে অবস্থা তা আমার পক্ষে ভাষাতে বর্ণা করা সম্ভব নয়।
ও হটাৎ হাতটা বের করে নিয়ে বললো ” তুমি ভিডিওটা দেখতে শুরু করো আমি একটু তোমার মার সাথে কথা বলে আসি।” আমি বললা “হ্যা হ্যা”। যদিও মেজাজটা খারাপ হল কারন ঐ মুহুর্তে আমার বুক থকে হাত সরে যাওয়াটা মোটেই সহ্য হচ্ছিলো না।
ভিডিও টা ছিলো বিদেশি একটা লোক আর একটা মেয়ের মধ্যে। তাদের ভেতর বয়সের বেস পার্থক্য বোঝা যাচ্ছে। ভিডিওটা প্রায় পাচ মিনিটের। এবঙ সেখানে যেটা দেখালো সেটা হলো :
* চুমু – ঠোট চুষা মুখের ভেতর জিব ঢুকিয়ে দেয়া।
* ময়েটা লোকটার বিরাট সাইজের জিনিষটা পুরা মুখে ঢুকিয়ে চুষলো।
* লোকটা মেয়েটার নিচে ওখানে জিব দিয়ে চাটলো। বলতে গেলে য়তখানি সম্ভব ভেতরে জিব ঢুকিয়ে দিলো।
* এবঙ মেয়এটাকে বিভিন্ন ভাবে লোকটা করলো।
আমি জানি যে ও এসে আমাকে এটার উপর প্র শ্ন করবে।এবঙ এখানে যা কিছু করা দেখিয়েছে তা আমি করতে পারবো কিনা তা জিজ্ঞাসা করবে। কিন্তু তখন আমার মনে তা নয় বরং এই প্রশ্নগুলা ঘুরছিলো যে ও কি আমার নিচটা এভাবে চাটবে? ওর কি ঘিন্না লাগবে না? আর ওরটা কি এত বড়? এত বড় কি আমার এইটুকু ফুটাতে ঢুকবে? আদৌ সম্ভব? নিজের অজান্তেই নিজের ওখানে একটা হাত চলে গেলো। এবঙ দেখলাম আমার পায়জামাটা ভেজা এবঙ আমার ওখার থেকে পানি বের হয়ে ভিজে গেছে। তবে আমি সিওর যে আমি পেশাব করিনি।। এই সময় ও ঘরে আসলো।
ঘরে ঢুকে ও বললো
“তোমার মাকে বললাম চা খাবো। তোমার মা চাএর পাতি আর দুধ চিনি আনতে দোকানে গেলো। তার মানে মোটামুটি মিনিট দশেক আমরা হান্ড্রেড পারসেন্ট ফ্রি। তোমার ভিডিওটা দেখা হয়েছে?”
আমি একটু ভয়ে ভয়ে বললাম যে দেখেছি, এবঙ সব কিছু করতে রাজি আছি, কিন্তু আমার দুটা প্রশ্ন আছে। এক তুমি কি তাই করবা ওখানে ঐ লোকটা যা করলো মেয়েটাকে? আর তোমারটা কি অতবড়? অতবড় কি আদৌ আমার মুখে বা নিচে ঢুকা সম্ভব? ”
ও হাসতে হাসতে বিছানাতে উঠে তার জায়গাতে যেয়ে আমাকে আমাকে বললো
” প্রথমত বললাম না যে মুখের লজ্ঝা কাটাতে হবে। ওখানে নয় জায়গা এবঙ ওটার একটা নাম আছে সেটা ধরে আবার প্রশ্নটা কর তারপর উত্তর দিচ্ছি। ও হ্যা ছেলেদের ওটা কে বাড়া বলবা, ওকে?”
আমার মেজাজটা খিচড়ে গেল। আমি মরছি টেনশানে আর উনি আমার ভাষা শুনতে চাচ্ছেন। মেজাজ খারাপ করে বললাম
” তুমি কি আমার গুদে ওভাবে মুখ দিয়ে চুষবা? আর তোমার বাড়াটা কি অত বড়? তোমার বাড়া কি আদৌ আমি মুখে ঢুকাতে পারবো বা গুদে নিতে পারবো? সেটা কি সম্ভব?”
এক নিস্বাসে কথাটা বলে শেষ করলাম।
ও এক হাতে আমাকে টান দিয়ে ওর বুকের ভেতর নিয়ে বললো
” সোনামনি, হ্যা আমি তোমার গুদ খুব আদর করে চুষবো, আমার ঘিন্না লাগবে না। আর তোমার জন্য সুখবর হল আমার বাড়াটা মোটেই অত বড় নয়, ওর তুলনাতে অনেক ছোট। তোমার মুখে নিতে একটুও কষ্ট হবে না।ঘিন্না হলে আলাদা কথা। আর তোমার গুদে আমার বাড়া ঢুকতে এখনো অনেক দেরি আছে। আগে তোমার শরীরটা, তোমার গুদকে তৈরী করতে হবে আমাকে। আমি চাই যেদিন আমার বাড়া তোমার গুদে ঢুকবে সেদিন যেন তুমি আমার বাড়া গুদে নেবার জন্য পাগল হয়ে থাকো। বুঝেছেন? আর ভিডিওর যেটা আমরা আপাতত করবো সেটা হল..”
এটুকু বলে সে এক ঝটকাতে আমাকে পুরো উল্টে বিছানাতে শুইয়ে আমার জামার ভেতর হাত ভরে আমার ডান দুধটাতে হাতের খেলা করতে লাগলো আর ওর মুখটা আমার মুখে নামিয়ে এনে আমার ঠোটের উপর একটা চুমু দিলো। তারপর ওর জিবটা দিয়ে আমার ঠোট দুটা ভিজিয়ে দিলো। তারপর আমার নিচের ঠোটটা খুব আস্তে কররে ওর মুখের ভেতর ঢুকিয়ে চুষতে লাগলো। আর আমি আবিষ্কার করলাম যে ওর উপরের ঠোটটা আমার দুঠোটের ভেতর সুন্দর করে বসে আছে। আমিও আস্তে আস্তে ওর উপররের ঠোটটা চুষতে লাগলাম। আমার গোটা শরিরে যেন বিৎদুত বইতে লাগলো। অনেক্ষন পর যখন দুজনার দম আটকে আসবার মতো অবস্থা তখন ও মুখ তুলে বললো
” তোমার গুদে কি বন্যা শুরু হয়েছে?”
আমি যে পায়জামাটা পড়ে ছিলাম সেটাতে কোমরে রবার লাগানো ছিলো। ও ওর হাতটা আমার পায়জামার ভেতর ঢুকিয়ে দিলো। আর আমার গুদের উপর ওর হাত দিয়ে নারতে লাগলো।
পরবর্তী কয়েকদিন জান ( ওকে আমি পরে জান বলে ডাকতাম) আর আসেনি তবে আমাকে যে ভিডিও গুলা দিয়ে গেছিলো সেগুলা থেকে অনেক কিছু শিখলাম। এরপর একদিন রাতে ওকে মেসেজ পাঠালাম যে
“কাল সকাল ৬ টার সময় আসবা। আর লুংগী পড়ে আসবা। “
“ কেন? “
“আমি বলছি তাই! আমি না তোমার ছোট বৌ? আমার কথা শুনবা না?”
“আচ্ছা”
পরদিন ও আসতেই ওক বললাম যে ঘরে যেয়ে বসো আমি আসছি। আমি জানতাম যে আব্বা ভোরে জমিতে যাবে আর মা চাল কুটতে। তাও পাশের বাসাতে দেখে আসলাম মা কে।
ঘরে ঢুকে ওকে জরিয়ে ধরে ওর ঠোটটা চুষতে লাগলাম। ও আমার ব্যাবহারে বেশ অবাক হয়ে গেল। চুমু খেতে খেতে ওর হাত আমার বুকে। আর আমিএকটা হাত নামিয়ে প্রথম লুঙ্গীর উপর দিয়ে ওর বাড়াটাতে হাত দিলাম। ধরে বললাম এটা আমার। ওটা যেন একটা শক্ত আগুনে তাতানো লোহার ডন্ড মনে হল আমার। আমি বললাম
“বাবা, কি শক্ত?”
“শক্ত না হলে তোমার গুদের টাইট ফুটাতে ঢুকবে কিভাব?”
আমি আস্তে করে নিচু হলাম আর ওর লঙ্গীর সামনের অংশটা তুলে ওর বাড়াটা বের করলাম। তারপর মাথা নামিয়ে ওটার মাথাতে একটা চুমু দিলাম। তারপর ওটার বিচিতে, তারপর আমার আমার জিবটা দিয়ে ওর বিচি থেকে বাড়ার মাথা পর্যন্ত চেটে দিলাম। ও উফ করে উঠলো। বুঝলাম কাজ ভালই হচ্ছে। এর পর বাড়ার মাথাটার উপর জিব ঘোরাতে লাগলাম। তারপর ওর গোটা বাড়াটা মুখে ঢুকিয়ে নিলাম। সত্যি কথা কি আমার একটুও ঘিন্না বা খারাপ লাগলো না। বাড়ার মাথাটা আমার প্রায় গলার কাছে চলে গেল। ও আমার মাথা দুহাতে চেপে ধরে
“ ও…ওওওওও্…….জান সোনা………কি……মজা………………উউউউউউ্হ……………………….এত সুন্দর করে চুষা তুমি কোথায় শিখলা?” এগুলা বলতে লাগলো। আর আমি আমার জান প্রান দিয়ে ওর বাড়াটা চুষতে লাগলাম। একটু পর ও বললো
“সোনামনি বের করো আমার মাল বের হয়ে যাবে।“
আমি জানিনা কেন , আমি আগে থেকেই ঐ ভিডিও গুলা দেখে ঠিক করে রেখেছিলাম যে ওকে আমার মুখের ভেতর মাল আউট করাবো এবঙ ওটা আমি খাবোই। কারণ ওর একটা বড় দুক্ষ যে খালা ওর বাড়া মুখে নেয়না । আর আমি জানি যে ওর মুখের ভেতর মাল ফেলার খুব শখ। আমি ওর চোখের দিকে তাকিয়ে ইসারাতে বোঝালাম যে ছেড়ে দাও। ওর চোখ দুটা বড় বড় হয়ে গেল। সেটা অবাক হয়ে না উত্তেজনাতে তা বলতে পারবোনা তবে আমি আমার মুখের ভেতর ওর বাড়াটা কেপে উঠছে বুঝতে পারলাম। ও “আমার বরে হচ্ছে……ও.ও….জান………………..ধরো……..ধরো………………….” বলতে লাগলো আর মুহুর্তের ভেতর আমার গোটা মুখের ভেতর গরম ঘন আঠালো একটা তরলে ভরে উঠলো। আমি কোনকিছু চিন্তা না করে গিলতে শুরু করলাম। সবটুকু পারলাম না।
যখন উঠে দাড়ালাম দেখলাম ওর দুচোখ জলে ছলছল করছে। আমাকে বললো
“সোনামনি , আজ যা দিলা আমাকে তার দাম আমি তোমাকে কোনদিন শোধ করতে পারবো না!”
আমি বললাম
“এখন সুযোগ পেলেই তুমি এটা পাবে আমার স্বামীসোনা। আর দাম আমার গুদটা চুষে দিয়ে শোধ করে দিও।“
ও হাসতে হাসতে বললো
“আচ্ছা। কিন্তু আমি এই কয়দিনে তোর মুখ কি বানিয়ে দিয়েছি। আর আজ যা করলি তাতে আমার পুরা বিস্বাস যে তোর আর আমার কাছে কোন লজ্জা নাই”
কিন্তু আমার গুদে তখন বন্যা বয়ে যাচ্ছিলো। আমি লজ্জাতে বললতে পারলাম না যে আমার গুদটা একটু নেড়ে আমার জল খসিয়ে দাও।
ও আমার দুধের এই ছবিটা তুলেছিলো সেদিন।
আমি রাতে ওকে খুব সাহস করে এই ছবিটা পাঠলাম। নিজে নিজের গুদের ছবি তুলে:
তার ৫ মিনিটের ভেতর মেসেজ আসলো।
"চেটে দিলাম।"
আমার আনন্দে লাফাতে ইচ্ছা করলো।
আমি লিখলাম:
"আজ যে আমার গুদে বন্যা বয়ে যাচ্ছিলো তখন, কৈ, তখন তো একটু চুষে দিলানা। এখন দূর থেকে চুষে দেয়া তাইনা?
বলে আর সাহস হল না। তাড়াতাড়ি মোবাইল বন্ধ করে শুয়ে পড়লাম।



No comments:
Post a Comment